কেন পরকীয়া! কেন স্বকীয়া নয়? — পুলক মন্ডল

‘পৃথিবীতে প্রেম নামক একটা শব্দের চাবি কত দরজা খোলে’- কবির কথা। এ উক্তি তো শুধুই কবির কল্পনা নয়, বাস্তবে এই ‘প্রেম’ নামক ব্যপারটাকেই ঘিরে হয় যত ঘটনা। আর বৈষ্ণবশাস্ত্রে দেখা যায় প্রেম বা প্রনয়ের পরিপূর্ণতা পরকীয়া প্রেমে। বৈষ্ণব রসশাস্ত্রকার রূপ গোস্বামী বর্ণনা করেছেন, ‘পরকীয়া সঙ্গে কৃষ্ণের অধিক আনন্দ।/ ইহাতে প্রচ্ছন ক্রীড়া করেন গোবিন্দ।/ সকলের শ্রেষ্ঠা হয় পরকীয়া নারী।/ আপন মহিমা তার কহেন শ্রীহরি’। বহু বহু শতাব্দী যাবৎ ভারতে সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রণয়কাহিনীর নায়ক-নায়িকা কৃষ্ণ ও রাধিকা। এবং শ্রীকৃষ্ণের আমলে তো কোন সুপ্রীম কোর্ট ছিলনা যে রায় দিয়ে পরকীয়াকে বৈধ ঘোষণা করে দেবে সুতরাং পরকীয়া প্রেম সমাজ-সংসারকে তুড়ি মেরে সেই কোন কাল থেকে চলে আসছে।

পরকীয়া বলতে সাধারণভাবে যা বোঝানো হয় তা হল বিবাহিত কোন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে মানসিক বা দৈহিক অথবা দুটোরই তাড়নায় প্রেম ও যৌন সম্পর্ক স্থাপন করাকেই।পরকীয়ার ক্ষেত্রে এতদিন পর্যন্ত বিচারব্যবস্থা দায়ী করেছে পুরুষকে আর সমাজের চোখে ঘৃণ্য অপরাধী নারী। হয়ত সুপ্রীম কোর্ট পরকীয়া অপরাধ নয় বলে রায় দেওয়ায় পুরুষশাসিত সমাজে পুরুষের দাপট আরও একটু বেড়ে যেতে পারে কিন্তু বিচারব্যবস্থা যাই বলুক না কেন সেই রাধাকৃষ্ণের সময়কাল থেকে আজও রাধার মতই পরকীয়ার দায়ভার বেশীরভাগ ক্ষেত্রে নারীকেই বহন করতে হয়।কেননা স্বকীয়ার সংজ্ঞা নিরূপণে অধিকাংশ ব্যাখ্যাকারই উল্লেখ করেছেন, ‘বিধি অনুসারে বিবাহিতা এবং পতিব্রতে অবিচালিকা সেই নায়িকাগণই স্বকীয়া’। সুতরাং সমাজদর্শন অনুযায়ী নির্মিত এই গণ্ডীরেখা অতিক্রম করে কোন বিবাহিত নারী অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করলে প্রথমে তিনিই দায়ী হবেন এই বৈধতাহীন সম্পর্কের জন্য যেমনটা হয়েছিলেন দ্বাপরের শ্রীরাধিকা।

যদিও যমুনা দিয়ে তারপর হাজার হাজার বছর ধরে অনেক জল গড়িয়েছে। দ্বাপরের সেই কলঙ্কিনী রাধা কলি’তে এসে হয়ে উঠেছেন আদর্শ প্রেমিকা। রাধা-কৃষ্ণের ভালোবাসার কথা বহুকাল যাবত সসাগরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রেমগাঁথা রূপে স্বীকৃতি পেয়েছে কিন্তু আজও অন্যের ক্ষেত্রে তা পরকীয়া। আসলে বৈধ বা অবৈধ নয়, পরকীয়া বা স্বকীয়া নয়, প্রেমটাই যে আসল এটা বুঝতে হয়ত যমুনা দিয়ে আরও বহু বহু বছর অনেক জল গড়াতে হবে।

পরকীয়ার কারণ হিসাবে অনেকেই যৌনজীবনে অতৃপ্তি, বিবাহিত জীবনে লাগাতার অসম্মান ইত্যাদি প্রসঙ্গ তোলেন। কিন্তু বহুক্ষেত্রে দেখা গেছে ‘পরকীয়া’ ঝড়ে শুধুমাত্র অসুখী দাম্পত্যই নয়, তছনছ হয়ে গেছে বহু সুখের নীড়ও। আর এখানেই পরকীয়া হয়ে ওঠে ‘স্বকীয়া’। যুগে যুগে শিল্প-সাহিত্যকে সমৃদ্ধ আর পারিবারিক বন্ধনকে চুরমার করাই পরকীয়ার কাজ। পরকীয়া অর্থে পরদার বা পরনারীতেই আসক্তি নয়। ‘সহজিয়া’ বাউল সম্প্রদায়ের কাছে নারী নিজের স্ত্রী হতে পারে কিম্বা অন্যের স্ত্রী, বিধবা অথবা স্বামীবিচ্ছিনা যাই হোক না কেন তাঁর সাথে যদি প্রেম হয় সেক্ষেত্রে তিনি হবেন সাধনসঙ্গিনী কেননা তখন সেই নারী ‘প্রকৃতি’ রূপে গন্য হবেন। আর প্রকৃতির সাথে প্রেমকে সহজিয়ারা পরকীয়া মানতে নারাজ। সে তখন স্বকীয়া। বৈদিক যুগে নারীর যত্রতত্র বিহার স্বীকৃত ছিল। কারন তখনও কামনা ও ভালোবাসার মধ্যে ফারাক চিহ্নিত করা যায়নি। মহাভারতে মহর্ষি উদ্দালক ও তাঁর পুত্র শ্বেতকেতুর সামনেই স্ত্রী অন্য ব্রাহ্মণের সাথে বিহারে যাচ্ছেন, তা দেখে উদ্বেলিত শিশুপুত্রকে স্বান্তনা জানিয়ে উদ্দালক বলছেন, ‘এটাই স্ত্রী জাতির ধর্ম’। বৃহস্পতির স্ত্রী তারা’কে কামনা করছেন চন্দ্র, হরণও করছেন। সপ্তর্ষির স্ত্রীদের কামনা করছেন অগ্নিদেব। বন্ধু দেবযানীর স্বামি যযাতি’কে কামনা করছেন শর্মিষ্ঠা।

আধুনিক ভালোবাসা অর্থে যে পরকীয়া প্রেম সাহিত্যে দেখতে পাওয়া যায় তা মুলত মধ্যযুগের। নারীর পায়ে তখন পুরুষতান্ত্রিক সমাজের রীতিনীতির শক্ত শিকল। তাই মধ্যযুগের সাহিত্যে নারীর ওপর পুরুষের একচেটিয়া অধিকার। নারী এখানে ভোগ্যপণ্য মাত্র। সমাজের মানদণ্ডে নারীর পরকীয়া গর্হিত কাজ, কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তা পুরুষত্ব প্রকাশের অন্যতম অলঙ্কার। যেমন মধ্যযুগের সাহিত্যে দেখা যায়, মঙ্গলকাব্যে স্ত্রী লহনা’কে রেখে দিব্যি খুল্লনা’কে বিয়ে করছে ধনপতি সওদাগর। ঘরে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও সিংহলের রাজকুমারী পদ্মাবতীকে বিয়ে করতে চলেছেন রাজা রত্নসেন। অনেকেই বলতে পারেন এসব তো পুরুষের বহুবিবাহের উদাহরন যা কার্যত স্বকীয়ার নামান্তর, এর সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক কোথায়? কিন্তু এই ঘটনা যদি কোন বিবাহিত নারী ঘটাতেন তখনই তা হতো পরকীয়া এবং যা পুরুষতান্ত্রিক সমাজকে অমান্য করার মতো অপরাধ। বৈষ্ণব পদাবলীর ছত্রে ছত্রে রাধার আকুতি, শাশুড়ি–ননদির পদে পদে বাধা, তবুও অভিসার, তবুও বাঁশির অপেক্ষা। সুললিত ছন্দে তা বর্ণনা করছেন কবি। আবার স্বয়ং পদকর্তা কবি চণ্ডীদাসেরও নিজের আকুতি আছে বিবাহিতা রজকিনীর প্রতি। পদাবলীর রাধা আর বাস্তবের চণ্ডীদাস কোথায় যেন উভয়ের অনুভুতিতেই স্বকীয়াকে ছোঁয়ার এক প্রবলতম বাসনা।

শ্রীচৈতন্যের তিরোধানের পর গৌড়ীয় বৈষ্ণবেরা রাধাভাবের সাধনা আরম্ভ করলেন। তাঁরা বললেন ‘রাধা’ আসলে স্বকীয়া-“তোমার আমার একই হিয়া/ ভাল সে জানয়ে আমি/ হিয়ার হৈতে বাহির হৈয়া/ কি রূপে আছিলা তুমি”। কিন্তু বৃন্দাবনের আর এক বৈষ্ণব বিশ্বনাথ চক্রবর্তী বিশ্বাস করতেন উল্টোটা, একদিন তাঁকে বাড়িতে একা পেয়ে জীব গোস্বামীর সমর্থকেরা এনিয়ে কুকথা বলতে এলে তিনি বললেন, ‘রাধার বাড়ি বরসনা আর কৃষ্ণের বাড়ি নন্দগাঁও, এই দুয়ের মাঝে কোন বন?’ উত্তর-‘সাকেত বন, রাধাকৃষ্ণের মিলনস্থল, সবাই জানে’। টীকাকার বিশ্বনাথের পাল্টা প্রশ্ন, ‘রাধাকৃষ্ণের যদি স্বকীয়া প্রেম তবে বরসনা বা নন্দগাঁও থাকলেই হতো, মাঝখানে অভিসারের জন্য সাকেত বন কেন?’ বিরুদ্ধবাদীরা কোন উত্তর দিতে পারলেন না, ফলে স্বকিয়া-পরকীয়া দ্বন্দের অবসানও হলোনা। আবার এই স্বকিয়া-পরকীয়া দ্বন্দে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র-রবীন্দ্রনাথে। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম রুপকার বঙ্কিমচন্দ্র বিবাহিত গোবিন্দলাল আর বিবাহিতা রোহিণীর প্রেমকে সমর্থন করেননি। তাই রোহিণীকে জীবন দিতে হলো আর গোবিন্দলাল পেল শাস্তি। আবার আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সবচাইতে আধুনিকতম রুপকার রবীন্দ্রনাথ এতটা কঠোর হতে পারেননি, সেকারনে ‘চোখের বালি’-তে আশার স্বামী মহেন্দ্রর প্রেমে পড়ে বিনোদিনী কিম্বা ‘ঘরে বাইরে’-তে বিবাহিতা বিমলার সন্দীপের প্রতি দুর্বলতার জন্য কাউকেই প্রান দিতে হয়নি। বঙ্কিম পরকীয়া বিষবৃক্ষকে সংসার থেকে উপড়াতে চেয়েছিলেন কিন্তু রবীন্দ্র জানতেন এর শিকড় অনেক গভীরে, একে অস্বীকার করা যায়না। পরকীয়া-স্বকীয়া সম্পর্কিত একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রেখে নব্বই শতাংশেরই ছোট-বড় পরকীয়া আছে এবং তারা যথেষ্টই সুখী। কেননা পরকীয়া গোপন রাখার জন্য মানুষ পারিবারিক জীবনে সতর্ক হয় ফলে সংসারে ভুলত্রুটি কম ঘটতে থাকে। অন্য মানুষকে কাছে পাওয়ার পর বৈধ জীবনসঙ্গীর প্রতি টানও একটু বাড়ে। সেটা অপরাধ ঢাকার জন্য হতে পারে আবার সামাজিকভাবে বৈধ নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করে অন্য মানুষের সাথে মেলামেশার সময় বার করলে তা অনেকটাই সন্দেহমুক্ত হতে পারে এমন ধারনা থেকেও হতে পারে। যদি পরকীয়াকে একটা বাড়তি পাওনা হিসাবে দেখা হয় তবে এমন সম্পর্ক সংসারে মানিয়ে নেবার প্রবণতা বাড়িয়ে আপাত সুখী করে তুলতে পারে। কিন্তু একথা সত্য যে এইধরনের সম্পর্ক কোনভাবেই স্বকীয়ার স্তরে পৌঁছাতে পারেনা। যারা সংসারে স্থিতাবস্থা বজায় রেখে এইধরনের সম্পর্ক স্থাপন করেন সেটা কার্যত একটা আঁশটে-ঠুনকো সম্পর্কের চেহারা নেয়। যদি পরকীয়া সম্পর্কে কখনো সাংসারিক নিরাপত্তা ও সেই বিশেষ মানুষটির প্রতি ভালোবাসার টান পরস্পর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়ায় তখন যদি প্রেমই প্রাধান্য পায় তাহলে সেটা আর পরকীয়া সম্পর্ক থাকেনা, তখন তা হয়ে ওঠে স্বকীয়া। কেননা যেহেতু প্রেম একটা সম্পর্কের সূচনা করে তাই সেটা তখন কোনভাবেই সম্পর্ক বহির্ভূত পরকীয়া হতে পারেনা। ঠিক এরকমই ভাবনা আমরা দেখতে পাই ডি.এইচ.লরেন্সের লেখা ‘লেডি চ্যাটা্রলীজ লাভার’ উপন্যাসে। সেখানে লেডী চ্যাটারলীজের স্বামীর এস্টেটের কর্মচারী অলিভার মেলটের সাথে তাঁর সম্পর্ক একে অপরের প্রতি নমনীয়তা, শারীরিক আবেগ আর পারস্পরিক শ্রদ্ধা থেকে ধীরে ধীরে জন্ম নেয় এক ভালোবাসার কাব্যে। যেখানে উভয়ের মধ্যে আসা বিরহ এক মহাশূন্যতার উপলব্ধিতে পৌঁছে দেয় নায়িকাকে। একইরকম ভাবনা দেখা যায় রবীন্দ্রনাথ ও কাদম্বরী দেবীকে নিয়ে রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহসী লেখাতেও। উভয়ের সম্পর্কের মধ্যে যে কোনরকম ফাঁকি থাকতে পারে তা রঞ্জনের লেখা পড়ে পাঠক কখনই অনুভব করতে পারবেন না।

পরকীয়া যেন অন্তরালের ব্যাপার, তাকে কখনই জনসমক্ষে প্রকাশ করা যায়না, তাহলেই মান-ইজ্জত সব চলে যাবে! এমনটাই যেন পরকীয়া সম্পর্কের চিরকালীন থিওরি। তাই পরকীয়ার পক্ষে যখন আলোচনা হয় তখন চুপচাপ তা উপভোগ করা আবার বিপক্ষে আলোচনার সময় রীতিমত ভাষণ দিয়ে নিজেকে তথাকথিত চরিত্রবান জাহির করার চেষ্টা অনেকেই করেন এবং তা যে শুধুমাত্র ভণ্ডামিই নয় বরং যৌনসম্পর্ক স্থাপন করার তাগিদ ছাড়া অন্য কিছুই নয়, এটাই চরম সত্য। আবার বহু সাধারন মানুষ থেকে বিখ্যাতরাও পরকীয়া সম্পর্ক গোপন করার আগ্রহ দেখান নি, কেননা যেহেতু এই সম্পর্ককে তাঁরা পরকীয়া মানতে নারাজ সেকারনে শুধু স্বকীয়ার স্তরে পৌঁছেই ক্ষান্ত হননি বরং এই সম্পর্ককে সামাজিক ও বৈধতার রুপ দেবার চেষ্টাও করেছেন। যেমন বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের পরকীয়া স্বীকৃতি পেয়েছিল। দীর্ঘ একদশক সংসার করার পর পরিনত বয়সে দুই সন্তানের জনক আইনস্টাইন দুই সন্তানের জননী এলসা’র প্রেমে পড়েন। নিজের স্ত্রী মিলেভাকে নোবেল পুরস্কার থেকে প্রাপ্ত অর্থ দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তাঁকে বিবাহ বিচ্ছেদে রাজী করান এবং বিয়ে করেন এলসাকে। যুক্তি-তর্ক-বুদ্ধি-বিচারশক্তি যেখানে বারবার পরাজিত হয় সেখানে বিরাজ করে আবেগ। স্ত্রী ছাড়া অন্য নারী বা স্বামী ছাড়া অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক যখন যৌনতার গণ্ডী অতিক্রম করে মনের বা ভালোবাসার হয়ে ওঠে তখন তা আর পরকীয়া থাকেনা। আবার সমাজের চোখে অবৈধ রুপে চিহ্নিত এই সম্পর্ক বারবার আক্রান্ত হলে পরকীয়া সুখের পরিবর্তে বিষাদগ্রস্ত করে তোলে এবং এই দুঃখকেই আঁকড়ে বেঁচে থাকার মানসিকতায় তখন তা স্বকীয়ায় পরিনত হতে থাকে। বাক্তির চিত্তস্ফুরন তাঁর স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অভিব্যাক্তি। সাধারন ভালমন্দের দৃষ্টিতে পরকীয়াকে বিচার করা সম্ভব নয়। আর চলমান সমাজ কখনই সম্পূর্ণ সৎ বা অসৎ কোনটাই হতে পারেনা। সবচেয়ে বড় কথা হল মানবমনের অনুভুতি ও অভিব্যাক্তির সম্পূর্ণ হদিশ পাওয়া যেহেতু অসম্ভব, তাই সেটা বিচার করার জন্য স্বীকৃতি দেওয়া উচিত সম্পর্কের দ্বান্দ্বিকতাকে।

শারদীয়া মুক্তবাংলায়(২০২১) প্রকাশিত।

পুলক মন্ডল

--

--

বাংলা ভাষার সাহিত্য পত্রিকা । যে কোনো সময় লেখা পোস্ট করা যায় । ফেসবুক https://www.facebook.com/storyandarticle পত্রিকার লিঙ্ক https://storyandarticle.com

Love podcasts or audiobooks? Learn on the go with our new app.

Get the Medium app

A button that says 'Download on the App Store', and if clicked it will lead you to the iOS App store
A button that says 'Get it on, Google Play', and if clicked it will lead you to the Google Play store
Story and Article

Story and Article

বাংলা ভাষার সাহিত্য পত্রিকা । যে কোনো সময় লেখা পোস্ট করা যায় । ফেসবুক https://www.facebook.com/storyandarticle পত্রিকার লিঙ্ক https://storyandarticle.com